মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
ভৈরবে দরিদ্র পরিবারের মাঝে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন মো. শরিফুল আলম তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ দ্রুত আইন করার দাবিতে ২০ হাজার নাগরিকের আবেদন তিস্তা নদীতে অবৈধভাবে মেশিনে পাথর উত্তোলন: ৫ শ্রমিক আটক নিয়ামতপুরে দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত বকশিবাজার দরবারে ১১ মার্চ বিশেষ ফাতিহা খানি ও ইফতারি মেহফিল ডিমলায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে বিশিষ্ট আলেম মাওলানা আলী হোসেনের জানাজা সম্পন্ন: হাজারো মানুষের শোকাতুর বিদায় কবিতাঃ সুখের প্রকোষ্ঠ নিয়ামতপুর-১ ও মান্দা-২ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নতুন এলাকা পরিচালক মুশফিকুর রহমান একটি মিসাইল সব বিশ্বাস নাড়িয়ে দিচ্ছে

উত্তরাঞ্চলে মাঘেই যেন বসন্ত- রোদের ছ্যাঁকা যথেষ্ট

Coder Boss
  • Update Time : বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৯৫ Time View

 

 

মোঃ রায়হান পারভেজ নয়ন
স্টাফ রিপোর্টার নীলফামারী

বাংলা ক্যালেন্ডারে মাঘ মাসের ১১টি দিন পার হতে না হতেই দেশের উত্তরাঞ্চলে  যেন বসন্তের ছোঁয়া। ভোর এবং রাতে হালকা ঠান্ডার আমেজ অনুভূত হলেও বেলা বৃদ্ধির পর শরীরে রোদের ছ্যাঁকা লাগছে যথেষ্ট। এ অঞ্চলের নীলফামারী, দিনাজপুর পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রংপুর, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও গাইবান্ধা আট জেলায় ধুমছে রোপন করা হচ্ছে বোরো ধানের চারা। রোদের তাপে কাজের সময় ঘাম ঝড়ছে ।

বুধবার (২৮ জানুয়ারী) নীলফামারীর জলঢাকার
বালাগ্রাম কাঠালী এলাকার বোরোর চারা রোপনে ব্যস্ত কৃষক জামিনুর রহমান (৫২) মজার ছলে বললেন মাঘ মাসের ১১দিন পার হতে না হতে শীত মনে হয় রিটায়ারমেন্ট নিয়ে ফেলাইল বাহে। বলেই হেসে ফেললেন তিনি।

পাশে থাকা অপর কৃষক সোলেমান মিয়া(৫৫) ওই কথা শুনে বললেন জামিনুর তুই ঠিকই কইছিস। মাঘের শীতে বাঘ কাঁদে শুনিছি আর সেই শীত ভোগও করিছিনু হামরা। আইজ কয় বছর থাকি মাঘ আর বাঘ খুঁজি পাওয়া যায়ছে না। পৌষের শীত যা হবার হইছে মাঘের শীতের পতন হয়া গেইছে- শীত পালায় গেইল আর কি। এ্যালা হামলা সেচ দিয়া বোরো ধানের চারার গারিছি। যে গিনা শীত আছে কাম কাজে আর মালুম হয়ছেনা। বলতে গেলে জনজীবন স্বাভাবিক হয়ে আসছে। ভারী শীতের পোষাক ব্যবহার  কমছে।

এ অঞ্চলে গত কয়েকদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ অথবা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়ে ফেলেছে । আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।আগামী কয়দিনে সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যথাক্রমে ২৮ এবং ১৭ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। তবে আগামী পাঁচ দিন তাপমাত্রার বড়সড় কোনও পরিবর্তন নেই । স্বাভাবিকের কাছাকাছি থাকবে পারদ। সকাল সন্ধ্যা সামান্য শীতের আমেজ ফিরলেও ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি শীত বিদায় নেবে বলে অনুমান আবহাওয়াবিদদের । তবে আবহাওয়া যেরূপ তাতে ফাগুনের বসন্ত যে দুয়ারে তা বলেই দিচ্ছে। ফালগুন পড়লেই উত্তরের হাওয়ার ততটা প্রভাব পাওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস । কারন, শীতের স্পেল এবার শেষের পথে। আপাতত জাঁকিয়ে ঠান্ডার ফেরার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, বরং চড়চড়িয়ে বাড়বে দিনের তাপমাত্রা।

আকাশ পরিষ্কার থাকায় দিনের বেলা রোদের দাপট বাড়বে, যার ফলে দুপুরের দিকে শীতের আমেজ উধাও। তবে এখনই পুরোপুরি শীত বিদায় নিচ্ছে না; ভোর ও রাতে হালকা শিরশিরানি বজায় থাকবে।

রোদ ঝলমলে থাকলেও ভোরে উত্তরবঙ্গে কুয়াশার দাপট বজায় থাকবে। আপাতত আগামী এক সপ্তাহ উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই, তবে ভোরে কুয়াশার দাপট থাকবে বলে জানালেন সৈয়দপুর বিমাবন্দর বন্দর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ লোকমান হাকিম।

উল্লেক যে গত পৌষ মাসে এ অঞ্চলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৫ থেকে ৬ এর ঘরেও নেমেছিল। সে সময় সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও নেমে এসেছিল ১৪ থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কাছাকাছি চলে এসেছিল। এতে হাঁড়কাঁপানো শীতে এ অঞ্চলের স্বাভাবিক জনজীবন থমকে যায়। পৌষ শেষে মাঘ মাস এসেই শীতের প্রভাব কমতে শুরু করে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102