
মো: বায়েজিদ বোস্তামী, বিশেষ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের পদপ্রার্থী মূল BNP এর একনিষ্ঠ সৈনিক ও জনগণের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল প্রাথমিকভাবে ধানের শীষের প্রতীক পেলেও রাতের আঁধারে বাপের দল বিলুপ্ত করে সৈয়দ এহেছানুল হুদা বিএনপিতে যোগদান করে গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ধানের শীষের প্রতীক ছিনিয়ে নিয়েছেন, কিনে নিয়েছেন, কুক্ষিগত করেছেন। নিজের স্বার্থ সিদ্ধি করতে বাজিতপুর-নিকলি বাসীর লালিত স্বপ্নকে ধূলিসাৎ করার জন্য পায়তারা করছেন যা ইকবাল প্রেমী জনগণ কোনোদিন কখনো মেনে নিবে না। যে কিনা নিজের স্বার্থে বাপের দল বিলুপ্ত করে সে ব্যক্তি ক্ষমতার জন্য জনগণের পায়ে ধরবে আবার দিন ফুরালে সেই জনগণকে বিক্রি করতে কুন্ঠাবোধ করবেনা বলে মনে করছেন বাজিতপুর-নিকলির জনগণ। দলের জন্য জনগণের দিনের পর দিন সংসদ পদপ্রার্থী শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল যে ত্যাগ করেছেন তার অবদান জনগণের কাছে সবার ঊর্ধ্বে। তাই জনগণের প্রতিনিধি জনগণের নেতা জনগণের এমপি হিসেবে দেখতে হাঁস মার্কা প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনগণই দাঁড় করিয়েছেন। জনগণের ভালোবাসা, গণ-জোয়ার ও জনপ্রিয়তা ঠেকাতে শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল, মনিরুজ্জামান মনির সহ সংশ্লিষ্ট সকল নেতাকর্মীদের বহিষ্কার করার মতো অন্যায় পন্থা অবলম্বন করেন বিএনপি যা জনগণের জনপ্রিয়তা কমায়নি বরং দিনদিন আরো বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৪ ফেব্রুয়ারী-২৬ইং তারিখ কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে (নিকলী ও বাজিতপুর) বিএনপির সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র/বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগে বাজিতপুর ও নিকলী উপজেলার যুবদলের ২৬ জন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
পদ-পদবী বিসর্জন দিয়ে সকল নেতাকর্মী এক হয়ে জনগণের এমপি হিসেবে নির্বাচিত করতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী-২৬ইং জনগণ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে এর দাঁত ভাঙা জবাব দিবেন বলে মত প্রকাশ করেন ইকবাল প্রেমী জনগণ। বিএনপি ঢালাওভাবে বহিষ্কার করেও শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল এর জনমত ঠেকাতে ব্যর্থ মনে করছেন স্থানীয় জনগণ।