
নারী মানে এক ঐশ্বরিক শক্তি
কঠিন বাঁধনে বাঁধে সংসার,
একহাতে করে নানান কর্ম
শিক্ষা দীক্ষা রাজনীতি আর অফিসার।
নারী এক মমতাময়ী সন্তান জন্মদাত্রী
পুরুষ তা চাইলেও পারেনা কোনোদিন
তবুও দাবিয়ে রাখার প্রয়াস চালায়
কাঁধে চাপিয়ে শত কাজের ঋণ।
যুগে যুগে নারী হয়েছে জয়ি
শত বাঁধা উপেক্ষা করে,
পুরুষ যা সহজেই পায়
নারী পায় অনেক সাধনার পরে।
এই সমাজে নারী তবুও তুচ্ছ
খাচ্চোর নচ্ছার পতিতা বলে ছলে,
কে বানালো পতিতা তারে
পুরুষের ছোঁয়া ছাড়া নষ্ট হয়েছে কোনোকালে?
নারীকে তোমরা মানুষ ভাবো না
ভোগ্য বস্তু বানিয়ে রাখো চিরদিন,
স্ত্রীর আদর খাটিয়ায় শুধু
ঠোঁটের মারে মুখ থাকে মলিন!
নারীর গতর লালসার বস্তু
স্ত্রী রেখে ঘরে—-
নুসরাত ফুল পরীর দেহ করে ছিন্ন
কতো ছেলে শিশুকে মারছে বলাৎকারে!
সন্তান আর সংসারের বোঝায় থাকে ন্যুজ
মাথা তুলে দাঁড়াতে চায় না দিতে,
ডিগ্রীর সার্টিফিকেট সিঁকেয় তুলে রাখো
সুখ পাও সংসারে গতর খাঁটিয়ে নিতে।
চাকরি করলেও নারী সংসারী ষোলো আনা
খুন্তি নাড়া,ঘটিবাটি মাজা ঘর মোছা,
চাকরির টাকা ইচ্ছে মতো খরচে মানা
বাপ ভাই বোনকে দিলে ভাঙবে মাজা।
এভাবে নারী শুধু খেটেই মরে চিরকাল
বাবার সংসারে মায়ের সহকারী
স্বামীর সংসারে মরণ পণ,
ছেলের সংসারে খাটুনি ছাড়া নেই কোনো অধিকার।
সারা জীবনের পরিশ্রম সবই পণ্ডশ্রম
অবশেষে মেলে নয়নের জল তারপর বৃদ্ধাশ্রম!