ড.প্রসেনজিৎ কর্মকার বিকেলের আলোটা আজ খুব কোমল। জানালার পাশে বসে থাকা অরিজিৎ যেন অনেক বছর পর রোদের এই উষ্ণতাকে অনুভব করছে। হাসপাতালের সাদা চাদরের ওপর পড়ে থাকা আলোটা তাকে মনে
ড.প্রসেনজিৎ কর্মকার কলকাতার এক ভাঙাচোরা পাড়ার ছোট ঘরে অরুণ বসে থাকে— চা বিক্রেতা বাবার ছেলে, একসময় পার্টি মিটিংয়ে চেয়ার পাতার কাজ করত। লোকজন বলত, “ওসব করে কী হবে? ওরা তোকে
শাকেরা বেগম শিমু নতুন ধানের গন্ধ নিয়ে এলো হেমন্ত, হালকা কুয়াশায় ঢাকা তার- রূপের নেই অন্ত। মাঠে মাঠে সোনালি ধান দুলছে হাওয়ার তালে, শালিক, বাবুই গান গাইছে গাছের ও মগডালে।
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম মাগো তোমায় মনে পড়ছে প্রবাসের এ মিষ্টি বিকেলে! জানালার পাশে টবে নানান ফুলের সমাহার, ক্যামেলিয়া, অরর্কিড সহ নাম না জানা মনোমুগ্ধকর অনেক সুগন্ধি ফুলে। মানুষ মাত্রই
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম কি অদ্ভুত দুনিয়া! দুটি আঁখি কাঁদে কখনো খুশিতে আবার কখনোও বেদনায়! অল্প সময়ের মধ্যে সব আবার স্বাভাবিক হয়েও যায়। কিছু কান্না জীবন সাথী হয়ে যায়, গর্ভধারিনী
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম সুন্দর স্বপ্নময় জীবন যাপন সকলের কাম্য! সর্বজনে স্বপ্ন দেখেন সুন্দর জীবনের। তবে জীবনের পথচলা একই রকম নয়। জীবন এমনই! কোন পরিস্থিতিতেই থেমে থাকে না। কষ্ট বিহীন
উন্মাদিনী একা এলোচুলে উড়িয়ে বাতাস সঙ্গে শাড়ির আঁচল হটাৎ নদী বাঁধভাঙা ঢেউ আমিই শুধু দেখে গেলাম-জানলো না তো কেউ। ভাঁজ করে রাখা ভালোবাসা আজ খুলেছে, দুহাত জুড়ে ন্যাপথালিনের গন্ধ
মহম্মদ মফিজুল ইসলাম ভাঙড়, দক্ষিণ ২৪ পরগণা পশ্চিমবঙ্গ, ভারত রাত্রির গভীরে কখনও কখনও মনে হয়, শব্দেরা মরে গেছে। তবু দেয়ালে লাগে কারও নিঃশব্দ হাসির প্রতিধ্বনি। আমি বুঝি—ওটা আসলে আমারই ভেতরের
কলমেঃ ড. প্রসেনজিৎ কর্মকার আজ শহর ঝলমল করে— বাল্বের ফোটায়, আতশবাজির শব্দে, আলোয় ভাসে প্রতিটি টাওয়ার, তবু এক গলির কোণে একটা প্রদীপ এখনো টিমটিম করে জ্বলে। ওই মাটির ঘরে নেই
কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম একটুখানি বুঝতে শিখলে আমরা মনে করতে শুরু করি, বন্দি জীবন! বাবা-মা সন্তানদের মঙ্গলের জন্য সারাক্ষণ চোখের নজরে রাখেন। বন্দি জীবন নানান ধরনের! বিনা দোষে বন্দি