কলমেঃ মায়া পারভীন। মাটির বাড়ি মাটির ঘর যেতে হবে একদিন, যেতে হবে সেথায়, যেথা অন্ধকার মলিন। এই যে খেলা রঙের মেলা, নিমিষেই হবে শেষ, দিন ফুরালে ডাক আসবে, থাকবে না
মেঘে মোড়া হেমন্ত =========== হেমন্তে আজ মেঘ করেছে গুড়ুম গুড়ুম ডাকে, মুক্ত মনের দুয়ারগুলো অন্ধকারে ঢাকে। হঠাৎ বৃষ্টি হঠাৎ বিজলি ভয় যে মনের ঘরে, কী জানি কি কখন ঘটে প্রাণ
সবজি খাও বেশি করে ভিটামিন খাও সবজি চাষে মন দাও। কলা খাই সকাল বেলা আরামে কাটাই মেলা। বেশি করে আলু খাও ভাতের উপর চাপ কমাও। তরকারির সাথে সালাদ চাই টমেটোর
নিজস্ব প্রতিবেদক: ডাক বাংলা সাহিত্য একাডেমি কর্তৃক আয়োজিত ‘ডাক বাংলা স্টার অ্যাওয়ার্ড ২০২৪’ প্রদানের জন্য কবিতা, শিশুসাহিত্য, গবেষণা, সাংবাদিকতা, গল্প, কথাসাহিত্য এবং সাহিত্য সংগঠনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ৭ জন
মোঃ আজহারুল ইসলাম (অপুর্ব) স্কুল মাঠে তিনি আলো জ্বালান, শ্রদ্ধেয় ময়েজ স্যার—আদর্শের পরাণ। মমতার বাণীতে, হাসিমাখা মুখে, তাঁর কথায় পথ খুঁজি, চলে আলো রূপে। মানবতার প্রতীক, নির্ভীক তাঁর প্রাণ, তাঁর
লেখক: মুহিতুল ইসলাম মুন্না বাংলা সাহিত্যের আকাশে যেমন অনেক নক্ষত্র ঝলমল করে, তেমনি হুমায়ুন আহমেদ ছিলেন এমন একটি নক্ষত্র, যার আলোর ছটা আজও আমাদের মনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ১৯৪৮ সালের
আছে হাতে গুণন কতজনকে ভাবলে আপন, দিতে রাজি সকল বিসর্জন সময়ে পেলে না মন, কেহ নয় মায়ের মতন।। হলে বৃদ্ধ সমতুল, মা ভাবে খোকা তুল এলে বাহির থেকে ভাবে ফুল,
কলমেঃ মোঃ এখলাছুর রহমান ফুলের মতো দেখতে সুন্দর লাগে কিযে মায়া, হঠাৎ করে নিভে গেল প্রাণ পাখিটার ছায়া। বাবা মায়ের খুব আদরের মুনতাহা তার নাম, মানুষ হয়ে কেমনে তোরা করলিরে
কলমেঃ ফয়েজ আহমদ ============== কোনো এক গোধূলি বিকেলে। রক্তিম সূর্যটি যখন পশ্চিমাকাশের অস্তাচলে ডুবুডুবু ভাব।ঠিক ঐ সময়টিতে— নদীর ঐ প্রান্তে বসে। যেভাবে নদী— তার উত্তাল ঢেউয়ের তরঙ্গে তরঙ্গে তোমাকে জানিয়ে
কলমে: এম এ লতিফ ============= আমি চাই না হতে নন্দিনী তোর মায়াবী জালে বন্দীনি, যে জালে বন্দী হয়ে আমার জীবন হতে পারে ধ্বংসের কারণ, আমি চাই সেই জীবন যেথায় জ্বলবে