মোঃ রহমত আলী একটু জানতে বাকি ছিল, যা জানা হয়ে গেলো। একটু দেখতে বাকি ছিল যা”ও দেখা হয়ে গেলো। একটু চিনতে বাকি ছিল, তা”ও চেনা হয়ে গেলো। একটু
রোকশানা খানম লিপি কবিতা লেখার হাত আমার পুড়ে গেছে, কলমে ঝরছে আমার শিশুর রক্ত, জগদ্দল পাথরের মত বুকে জমাট বেঁধেছে স্বজন হারার ব্যথা,আমি করিতে পারিনা ব্যক্ত। কত আদরের শিশুরা
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম আমি যেদিন যাবো মরে যাবো এ সুন্দর ধরা ছেড়ে, সেইদিন সে আসবে ঘরে দেখবে কফিন বিলাপ করে, “বকুল” তুমি বিলাইও সুঘ্রাণ আসলো না সে থাকতে
কলমেঃ রওশন রোজী দুষ্ট চক্রের কালো ছায়া, ছড়ায় বিষের জাল, ভুলিয়ে ভালিয়ে মিষ্টি কথায়, কাড়ে সব্বার মাল। আঁকে নানা ছকের ছবি, গোপনেতে বসে, মানুষের দুর্বলতাকে পুঁজি করে হাসে। নকল হাসির
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম একটা কোকিল বুকের মাঝে কুহু কুউহু ডাকে! একটা কোকিল শিস দিয়ে যায় শ্বাস প্রশ্বাসের ফাকে ! একটা চড়ুই ফুরুৎ ফুরুৎ বুকে আসা-যাওয়া, একটা বাবুই বুনে
মাঠে কান্না ঘাটে কান্না মাঠে কান্না ঘাটে কান্না, কান্না বন পাহাড়ে। ঘরে বাইরে এতো কান্না, শুনো কি তা আহারে! হাট বাজারে ভাইয়ের কান্না, পাঠশালাতে শিশুর কান্না। ক্ষেত খামারে কৃষকের
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম আমার নিত্যদিনের জীবন সংগ্রামের নির্মম বাস্তবতা তোমাদের উচ্চবিত্তের মত নাই কোন আদিখ্যেতা, ছাতা বিহীন শ্রাবনের বৃষ্টিতে ভিজে অফিসে যাওয়া তোমার মত মার্সিডিজ নিয়ে দাড়িয়ে থাকা
কলমেঃ রওশন রোজী সেদিন আকাশ ভেঙে নেমেছিল শ্রাবণের ধারা, খেলায় মত্ত ছিল কিছু নিষ্পাপ ছেলে-মেয়ে, কেউ ছিল অপেক্ষায়, ছুটির ঘণ্টা বাজবে বলে, কেউ গুনছিল প্রহর, বাড়ি ফেরার আশায়। ভেজা মাঠের
কলমেঃ রাজাকুন্নাহার সুমী আধো মেঘ, আধো চাঁদনী রাতে পাটুলি ঘাট হতে বেরুলাম নৌকা ভ্রমণে ভয় আমার প্রতি ক্ষণে ক্ষণে … জীবনে যদিও অনেক বার করেছি নৌকা ভ্রমণ, এমন করে কখনো
উচিত কথার ভাত নাই মনের মধ্যে কত কথা জমা বলতে পারিনা ভয়ে, উচিত কথা বললে আবার কেউ নেই না সয়ে। তেল মা-রা লোকজন গুলো সমাজের বড় চেয়ারে, জীবন তাদের