কলমেঃ শাহিদা আক্তার তন্নি তোমারি লাগিয়া নিশিতো জাগিয়া লিখিছি প্রেমের কবিতা, ছন্দ সুরে নয় বেসুর ও গলায় দিয়েছি তার উপমা। স্বপ্ন কুঞ্জে এসেছো বহুবার দিয়েছো ফুলের মালা, অন্ধদ্বার খুুলিল মোর
কলমেঃ নাসির আহমেদ বৈশিষ্ট্য তথা বিচিত্রতায় শিল্পীর মধ্যে শিল্পীর প্রকারভেদ রয়েছে।বাউণ্ডুলে স্বভাবের হলেও তার শান্তস্বর, কর্ম স্থিরতা বিরল।পরিবেশ,পরিস্থিতি ছবি আঁকার অনুকূলে।কিন্তু,অকালে মাতৃবিয়োগ গৃহত্যাগী বাসনা জাগিয়ে তুলছে।সম্ভবত আমি পড়েছি-অবহেলিত কোনো
কবি ও ডাঃ ক্ষিতীশ হালদার আমার গাঁয়ের চাষার মেয়ে ফুট ফুটে তার রুপ। চলতে পথে দুলত চিকুর গন্ধ ধরায় দুপ।। সাড়া দেহে গয়না ছাড়াই রুপ ঝরে তার গায়। দেখতে
কলমেঃ উম্মে কুলসুম খন্দকার দুজন ছিলাম এক আশায় বাঁধা স্বপ্নের পথে হাঁটতাম এক সাথে নানা। কিন্তু গোধূলির ধোঁয়ায় বিলীন হয়ে গেল, যে ভালোবাসা ছিলো, আজ অচেনা হয়ে গেল। চোখের
কলমেঃ মোঃ রিয়াজ মিয়া ছোটবেলার সেই আমি, খালি পায়ে হাঁটতাম, মায়ের কোলে মাথা রেখে স্বপ্ন গুলো আঁকতাম। চুলে হাত বুলিয়ে দিত, মুখে দিত হাঁসি, মা থাকলে পৃথিবীটা হতো শুধু ভালোবাসি।
বিরল পাখি সভ্য তুমি, শান্ত তুমি ওগো বিরল পাখি মনটা তোমার অনেক ভালো গোল দুটি আঁখি। ছোটকাল থেকে ওগো আছে তোমার শিক্ষা, অবহেলা করো না কাউকে দাওনা গো দীক্ষা।
লেখক: নুপুর রায় তুমি কাছে থাকলে হাসে জীবনভর, আলো ঝরে মনে, কাটে না অন্তর। সবকিছুই ভালো, লাগে আপন-আপন, প্রতিটি মুহূর্তে খুঁজে পাই সাধন। তুমি না থাকলে থেমে যায় গান, বেদনায়
কলম: হাফিজুল ইসলাম পিতা হলো পাহাড় সম ছায়া দেয় যে মাথায়, মা তো সাগর ভালোবাসায় যেন হৃদয় বাধায়। তাদের হাতে গড়া জীবন ভালোবাসার বুনন, একটি হাসি একটি স্পর্শ ভরে উঠে
কলমেঃ দেবিকা রানী হালদার একদিন ছিলো এই বর্ষায় ফুঁসে উঠতো নদী খরস্রোতে ডুবতো নৌকা, হতো বেসামাল মাঝি যদি! মাছরাঙা শালিক গাংচিল বক, উড়তো চরে চরে ফাঁদ পেতে শিকারী কত পাখি,
কলমেঃ উম্মে কুলসুম খন্দকার এ কেমন রোগে আক্রান্ত আমি, যেখানে কান্নাও আজ শব্দহীন, হৃদয়ের ভেতর ভয়ে যচ্ছে ব্যাথার ঝর যা বোঝার মতো নাই কোনো ডাক্তার কিংবা কবিরাজ। সেই ব্যাথার আগুনে