কলমেঃ মোক্তার হোসেন মানুষের মায়া,মমতা,স্নেহ যেন, কেমন কমে যাচ্ছে। মানুষ বড্ড বেশি ব্যস্ত নিজেকে- নিয়ে, স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে দিন দিন। এই অশান্ত পৃথিবীর মাঝ থেকে, সুখ – শান্তি সব
কলমেঃ সাহেলা সার্মিন যমুনার উত্তাল ঢেউ আর এক টুকরো গাঙচিল, পাড় ভাঙা নদী ক্ষয় সুখ কেড়ে নেয় অনাবিল। পাড় ভাঙে চর জাগে দুঃখ দূর করে যেমন সুখ, শূন্য হয়
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম আমি বাঁধনহারা মেঘ, ঘুরি বিশ্বের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে! তুমি আমায় বাঁধতে চাইলে সুখ সংসারে ক্লান্ত-শ্রান্তে! চেয়েছিলাম একটা গোলাপ প্রণয় খুশবি শুকতে চাই নিতো কালো গোলাপ
কলমেঃ লাবিবা আমি মমিসিং এর ছেরি, গৌরব লইয়া বাঁচি, নদী-মাঠে, ডাঙা-খেত্তে, মাটির গন্ধে আছি। ভোররাতে উঠি মায়, বউঝিরে দেই ডাক, গামছা বাইন্ধা কাঁধে লই, উঠান হুরার চাক।
কলমেঃ ওমর ফারুক টাকার গরম আছে যাদের, হুঁশ নেই আবার তাদের? তারা আবার মানুষ নিয়ে বাহাস করে, সমাজের আর্থিক ভাবে দুর্বল কিছু মানুষের? সামাজিকভাবে আর্থিক দুর্বল, মানুষরা কি সমাজের বাহিরের
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম পথে দেখলে নারী কোন জন নগর নটী ভেবে পুরুষ মন করে কূজন, কল্পনায় ভেবে নগর পতিতা, যৌবন তাড়নায় মত্ত নবীন গৌর কান্তি দেখে উষ্ণ হয়
হে পিতা, আপনার চক্ষে দেখি সাহসের ঝলক। ঘামের গন্ধে লুকানো ভালোবাসা। নিঃশব্দে কাঁধে তুলে নাও জীবনের ভার। সকাল হলে ছুটে চল সংসারের পানে। সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে দাও নিজের
কলমেঃ শেখ সানজিদ বাবা আমার তীব্র রোদের আগলে রাখা ছায়া, বাবার পরশে আছে মিশে অদ্ভুত এক মায়া। যা চেয়েছি বাবার কাছে সব-ই দিয়েছে সে, হাতের মধ্যে টাকা দিয়ে বলে ধর
কলমেঃ ওমর ফারুক বাবা হলো বটে বৃক্ষ ছায়া, বাবার মত পৃথিবীতে কেউ তো, করে না তো মায়া। পৃথিবীতে বাবার মত ছেলে মেয়ের প্রতি, আর কেউ তো করে না আপনে মায়া।
পুচ্ছো তোলা পাখীর মতো খোঁপা তোমার আটকে গেছে খোঁপা র চুলে মনটা আমার, ওগো রামা, সুস্মিতা বিনোদিনী, খোঁপা তোমার দাওনা খুলে তোমার খোলা পিঠে, রৌদ্র মিঠে, ছড়ানো চুলে যাই