নজরুলের স্মৃতি ছবি গরীব ঘরে জন্ম নিয়ে হলে জাতীয় কবি। জগৎ জুড়ে থাকবে বেঁচে, তোমার স্মৃতি ছবি। তুমি নজরুল জাতীয় কবি, লিখলে বুলবুল। তোমার কথা কাব্য লেখা, হয় না
লেখকঃ নাসরিন ইসলাম কষ্ট আমারও হয় ——– তুমি হীনা! পার্থিব জগৎ-সংসার নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরপুর বিন্দুমাত্র নয়! কেবল-ই বিষাদপূর্ণ ময়—– শত সাধনায় প্রাপ্তি জনম যেনো পথভ্রষ্ট’র বাঁকে বাঁকে উপনীত হয়!
কলমেঃ নাদিম মাহমুদ গ্রীষ্মের দ্বিপ্রহরে, সূর্যের কিরণে উষ্ণতায় ঝরে ঘাম, জুনের নয় তারিখ বোনের বিয়ে— রহিলো কাব্যে সেই নাম। শিশু-কিশোর-কিশোরীরা ভেসেছে সুখের জোয়ারে, বর এসেছে পালকী চড়ে কণের হাসিমাখা দুয়ারে।
কলমেঃ দেবিকা রানী হালদার কেমন আছো বাংলাদেশ ইংরেজ নয়, পাকি নয়, কে তোমায় করলো শেষ? লর্ড ক্লাইভের হাতে একদিন এদেশ তুলে দিলো দুইশো আটষট্টি বছর পর আবার সেই প্রেতাত্মা এলো!
লেখকঃ আকিকুর রহমান তালুকদার বঙ্গের হীরা তুমি কাব্য বীর তোমার অবদান দেখি অথই সাগর, বই প্রেমিক পুরুষ তুমি নিঃস্বার্থে করলে দান তুমি অথই নুরুল আমিন। তোমার নিঃস্বার্থ ভালোবাসা অবিরত প্রিয়
মোঃ জাবেদুল ইসলাম রমনীগঞ্জ, বড়খাতা, হাতীবান্ধা লালমনিরহাট, বাংলাদেশ। বাংলাদেশে বাড়ি আমার, বাংলাদেশে থাকি। বাংলাদেশের ধুলি কণা, আমার অঙ্গে মাখি। বাংলাদেশে বাড়ি আমার, বাংলাদেশে ঘর। মিলেমিশে থাকি সেথায় সবাই আপন পর।
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম যখন যেথা যাই যতদূর দে-শ ঘুরি কত, যতই দৃশ্য দেখি জ্ঞান আহরণ করি ভুরি ভুরি, আমি বাঙলার বোল বাঙলার ঢোল কভু নাহি ভুলি তাদের মত
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম কাঙ্খিত ভালোবাসা কোথায় পাবো ভালোবাসার মুখথুবড়ে পড়ে আছে রাতের আধারে! ওভার ব্রিজের নিচের অন্ধকার গলিতে রমনা গুলশান পার্ক হাতির ঝিল হাইকোর্ট মাজারে! পেটের দায়ে
কলমেঃ ওমর ফারুক ঈদের দিন ফজরের নামাজের পরে, ঈদগাহ মাঠে যায়। অনাহারে সকাল সকাল, ঈদগাহ মাঠে যায়। ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়ে, একে অপরের সাথে, কোলাকুলি করে বাড়ি ফিরে যায়। পশুর
জুমাবার জুমাবার নেয়ামত পূর্ণ, মহান রবের দেওয়া একটি দিন? জুমার নামাজের আজান শুনা মাত্রই, মোমেনরা প্রতিযোগিতায় দিয়ে, মসজিদে যাওয়ার আরেকটি দিন। পাঁচ ওয়াক্ত মুসল্লিরা মসজিদে আগে গিয়ে মুসল্লিদের জুড়াই