বাবা মানে শক্তি কত ঈদে বাবা ছিলেন এবার ঈদে নেই, মনের যত চাপা কষ্ট জমা থাকে মনেই। ঈদ আসলে ঈদের কাপড় বাবা দিতেন কিনে, আজ বাবাকে দিতে পারবো বাবা
কলমেঃ সাব্বির হোসেন বিজয় নিভে গেছে রানওয়ের আলো, অতীতের বুকে ধূলি জমে কালো। এক সময় ডানায় ভর করে স্বপ্ন, এখানে নামতো পাখিরা যত জন্ত্র। স্মৃতির কুয়াশায় দাঁড়িয়ে আজ, বিমানবন্দর যেন
কলমেঃ ধনঞ্জয় রায় আম গাছটি তখন ছিলো না, কদবেল গাছটি বেশ ঝাঁকালো এবং দীর্ঘ চিত্তাকর্ষক বিষয় – ধীরে ধীরে কখন যেনো অস্পর্শী-বিমূর্ত প্রতীক হয়ে আজ ও সেখানে প্রতীয়মান। তবে আমার
লেখকঃ ওমর ফারুক লোহাগাড়ায় পুকুরে ডুবে দুই অবুঝ শিশু, মহান রবের জিম্মায় গেল শুনতে পাই। দুই অবুঝ শিশুর পিতা মাতার, করুন অবস্থা দেখিতে পাই। মহান রবের কাছে দোয়া করি, ওই
মোঃ জাবেদুল ইসলাম রমনীগঞ্জ, বড়খাতা হাতীবান্ধা লালমনিরহাট, বাংলাদেশ। য়ে কবিতা মানুষের কথা বলে না, সে কবিতা আমি লিখব না। যে কবিতা ভালোবাসার কথা বলে না, সে কবিতা আমি লিখব না।
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম তোমার নিক্ষিপ্ত সূক্ষ্ম শর বাণের ক্ষতে আমি একাকী বেদনার পাবকে পুড়েছি, তোমায় আমি দগ্ধা করতে চাই নি! সে-ই খরস্রোতা মধুমতী র তীরে দু’জন, হাত ধরে
কলমেঃ জেবুন্নেছা জেবু ভালোবাসা যেন শরতের আকাশ নীল আকাশের নীচে অদৃশ্য বাতাস, যেখানে মেঘ হয় বৃষ্টির আশায় জীবনে স্বপ্ন দেখে অপেক্ষায়। ভালোবাসা যেন নদীর স্রোত ক্ষণে ক্ষণে বাঁক বদলায়, তীর
কলমেঃ ডক্টর মোঃ বদরুল আলম সোহাগ মক্কা-মদিনার পথে যাই, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। তাওয়াফ করি, কাবা ঘিরে, হৃদয়ে শান্তি, স্নিগ্ধতার ভিড়ে। হজ্জে এসে শোধে ভুল, পুণ্যের পথে চলাই মূল।
কলমেঃ ওমর ফারুক স্ত্রীহলো স্বর্গের রানী মহান রবের দেওয়া, এক বড় অফুরন্ত নেয়ামত বদন । স্ত্রীছাড়া হয়না যে পুরুষ লোকের যতন? স্ত্রীহলো স্বর্গের পুরুষ লোকের নেয়ামত বদন, দুনিয়া থাকতে স্ত্রীলোকের
কলমেঃ আফসানা আক্তার হঠাৎ যদি জেনে যাও তোমায় কবিতায় দিয়েছি ঠাঁই, রাশভারি ওই মেজাজ থেকে কি পাবো না রেহাই? ভয় নেই চাইনা কিছুই, চাই না উপহার। ভারিক্কি ওই স্বভাবগত দু’লাইন