(মসজিদ ভাঙা চলবে না) মসজিদ ভাঙা চলবে না ভাই, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মসজিদ ভাঙলে আল্লাহ তাআলা, করবে মোদের পর। মসজিদ হলো ইবাদত বন্দিগীর, মুসলমানের প্রধান আস্তানা। মসজিদে যাই নামাজ
কলমেঃ মো. আসিফুর রহমান নারীর লজ্জা লজ্জাবতী গাছের মতো সরম, কেউ ছুঁলে ফুরায় তা, হয় শূন্য ধরম। স্বামী হোক বা অন্য কেউ, স্পর্শে শেষ হয়, সঙ্গতায় ছাড়াও লজ্জা উড়ে যায়
আর্তনাদ শুধু আর্তনাদ! মানুষের কান্নায় কলরব শহরের ইট বালু পাথর? নিমিষেই সব নেমে আসে নিষ্পাপ শিশুদের মাঝে অমূল্য হৃদয় হয়ে গেছে অসহায় এ কেমন ফিলিস্তিনি বাসী? মোরে জিজ্ঞাসা বার
কলমেঃ গোলাম সরোয়ার খান নাত বৌ গাঁথে ফুল মালিকা নাত্নী সাজায় ডালা, মোর বঁধূয়া পাঙ্খা নাড়িয়া শুখায় ঘামগুলা। গ্রীষ্মের এই ভরা দুপুরে লোডসেডিং হলে, গতর ঘেমে টপ টপ করে ঘাম
কলমেঃ ওমর ফারুক ============= মাটি খুরদের জ্বালায় বেঁচে থাকা এখন বড় দায়? হায়রে মাটিরওয়ালা ভাই তোদের কি শরমে নাই? কেন আমাদের এত কষ্ট দিস তোরা মাটিখুর হইয়া দিব্যি আরামসে মাটি
কলমেঃ এম.মহি উদ্দিন শিশিরবিন্দুর ফোঁটায় গ্রামীণ রাস্তার দু’পাশের ঘাসগুলো ভিজে না আর, মানুষরূপী অমানুষের পদদলিতে ইটগুলো ভেঙে ধুলাবালিতে একাকার। ধু ধু করে সাদাসিধে বালিগুলো রঙিন হয়ে উড়ে, চোরাচালান, চোরাচালান
কলমেঃ আফজাল হোসেন আমি খুব বেশি বড় হতে চাই না; আমি চাই না অত যশ,খ্যাতি,সুনাম! আমি চাই না আমার নামের আগে-পিছে থাকুক মানুষের গা-জ্বালা ধরা বিশেষণ! খুব বড় হতে চাওয়া
কাব্যশ্রী মো. নজরুল ইসলাম ================== ফিলিস্তিনের গাজায় চলছে ধ্বংস যজ্ঞ আজ, ঈসরায়েলের পশু জাতির অমানবিক কাজ। অস্ত্র, গোলা, বোমার আঘাত গাজায় মরছে লোক, বিবেকহীন সব কুচক্রী দল মারণে নাই
কলমে- শেখ মিন্নাতুল মকসুদ অর্চি তুমি আমার প্রভাতের অর্ক তুমি গোধূলি লগনের রক্তিম আভা। তুমি বর্ষার ঝুম বৃষ্টি। তুমি শরৎ এর শুভ্র মেঘের আকাশ, তুমি শুভ্র মোলায়েম কাশফুল। তুমি
সৃষ্টির মহিমা সর্বদা প্রশংসা করি মহান আল্লাহর, যিনি দান করেছেন আলো ও ধরার। সাত আসমান গড়ে তুলেছেন নিজ হাতে, অলঙ্ঘনীয় পরিপাটি নিয়মে বাঁধা তাতে। জমিন করেছেন বিস্তৃত বিছানা, সেথায়