কলমেঃ মাসুদ রানা পৃথিবী কারো আপন নয় সব সম্পর্কই ধোঁয়াটে সয়, চোখের জলে গড়া স্মৃতি ভাঙে যখন যায় প্রবৃতি। হাসি মুখের আড়ালে বেদন চোখে জমে হাজার জ্বালন, চলে যায় যে
কলমেঃ কনক কুমার প্রামানিক আকাশ মেঘে কালো হয় উঠে তুমুল ঝড়, উড়ে যায় ধূলিকণা ভাঙে কাঁচা ঘর। লুটোপুটি মাঠের ধান চাষীর মাথায় হাত, কালবৈশাখী দূর্যোগ এলে নির্ঘুম কাটে রাত। অসময়ে
কলমেঃ মোঃ জাবের আরেফিন আমি প্রভুকে বললাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। প্রভু বললো: ভালোবাসো! কতো খানি? আমি বললাম: যতটুকু ভালোবাসলে সেই চিন্তায় সর্বদা থাকা যায় মগ্ন ঠিক ততোখানি। প্রভু বললো:
কলমে: মোহাম্মদ ফয়সাল মিরসরাই, চট্টগ্রাম আমি পারভেজ, তিন বছরের ক্লাসের খাতা, ডায়েরির পেছনে লেখা—”ইঞ্জিনিয়ার হবো, কথা দিচ্ছি মা।” হোস্টেলের বারান্দায় গল্প, ক্যাম্পাসের চা, আর একটুখানি হাসি—তাতেই গলা টিপে ধরলে না? হাসলাম
কলমেঃ ওমর ফারুক ============= নারী হলো বট বৃক্ষ দিকশূন্য লতার মত “ দিক বেদি নাদেখিয়া ছুটে চলে শূন্যের মতো। কখন কুন জায়গায় ছুটে যাই তারা বুঝে তাদের মন। তাদের ছাতনা
কলমেঃ এম আলী হুসাইন এ কেমন মা দেখছি মানবজাতীর ঘরে মাছের মাকে হার মানায় নিজ সন্তান হত্যা করে। সন্তান মেরে করে আবার প্রতারণার কান্না। দুচোখে দেখি আবার হৃদয়ভর্তি বন্যা। মালিহা
মোঃ জাবেদুল ইসলাম রমনীগঞ্জ, বড়খাতা, হাতীবান্ধা লালমনিরহাট, বাংলাদেশ। চারি দিকে শুধু শুনি, কান্না আর কান্না। কান্নার জলে মাঠ ঘাট, বয়ে যায় বন্যা। ছেলে হারা মায়ের কান্না, কোলের শিশু তার কান্না।
কলমে: মুহাম্মাদ শরীফুল ইসলাম তুমি যদি হও লেখক কিংবা কোনো কবি, সকাল সাজে সবার মাঝে উঠাও নতুন রবি। কলম ধরো শক্ত হাতে লিখো সত্য কথা, অসৎ লোক যদিও পায় তোমার
কলমে: মুহাম্মাদ শরীফুল ইসলাম রক্তের বন্যা বইছে দেখো গাজা উপত্যকায়, মাজলুমানের আর্তচিৎকার বাতাসে উড়ে বেড়ায়। জুলুমের এই পরিসমাপ্তি ঘটবে কখন বলো, মাজলুমানদের রক্ষা করতে গাজায় এবার চলো। রক্তাক্ত আজ ফিলিস্তিন
কলমেঃ মীর ফয়সাল নোমান বৈচিত্র্যময় পৃথিবীতে বৈচিত্র্যময় মানুষ, তাই আমরা পৃথিবীতে দেখি অনেক রকম মানুষ। আল্লাহ তোমার লীলাখেলা বোঝা বড় দায়, তোমার সৃষ্টি পৃথিবীতে মানুষ হয়েছে বৈচিত্র্যময়। তাইতো আমরা