কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম নীল আকাশকে সঙ্গী করে, স্বপ্নের নীলিমায় অহর্নিশি ছুটে বেড়ায় মা হারা এ দুঃখি মন। শরতের বিকেলে খোলা জানালার সামনে দাড়িয়ে মনে পড়ে মাগো তোমায়! অত্যন্ত সন্তপ্ত
শিউলি ফুলের দেশে শরত রাণী আসলো ছুটে, শিউলি ফুলের দেশে। নদীর কুলে শরত রাণী, দুলছে হেসে হেসে। হাত ছানি দিয়ে ডাকছে আমায় এসো আমার দেশে। সাদা শাড়ি পরে যাই
কলমেঃ আলহাজ্ব বরকনতাজ আমার দেশ বাংলা, সুন্দর এক ধারা, সবুজ মাঠ, নীল আকাশ, নদীর সাদা সারা। চাঁদের আলোয় ভেজা রাত, ফুলের গন্ধে ভরে থাকে মন ভালোবাসার ছাত। পাখি
লেখক: শহীদ বদরুদ্দোজা তৌহিদ এক দিন সব ঠিক হয়ে যাবে — এই কথা ভাবতে ভাবতে অনেক গুলো দিন পেরিয়ে গেল, আরো অনেক কিছু হারিয়ে গেল। মাস গেল, বছর গেল,
কলমেঃ সৈয়দা রাজিয়া সুলতানা শিম্মা আমাকে রেখো তোমার খোপার কাটায় চোখের লেপ্টে থাকা কাজলে। আমাকে রেখো তোমার ঠোঁটের লিপস্টিকে। রেখো অনেক যত্নে শাড়ির সেফটিপিনে। শীতের প্রকোপে রেখো
কলমেঃ মুক্তাদীর মুন্না হেমন্ত উৎসবে আজ পাগলের মেলা চলছে সভা গাঁথছে সবাই কথার মালা, কে শুনে কার কথা কানের যে বেহাল দশা। পাগলগুলো সব মানুষ ভাল, বিজ্ঞ অতি বুজে
নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের মেয়ে শাম্মী তুলতুল—বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যজগতে এক উজ্জ্বল নাম। একসময় লেখাপড়ায় ছিলেন ফাঁকিবাজ, টিচার এলেই নানা অজুহাতে ক্লাস ফাঁকি দিতেন। অথচ সেই ছাত্রীই আজ বাংলাদেশের অন্যতম
অক্ষয় প্রদীপ জ্বালাবো অন্তরে রঙে রঙে মাতে এ মন, তোমার প্রেমে পাগলপারা, মূরোলী মোহন তৃভঙ্গ ধারী, আকুল আকুতি জাগে প্রাণে, মনের গভীরে ক্রন্দনরত, বিচিত্র ভাষায় বিচিত্র প্রেমে, হয় বন্দনা
কলমেঃ আদরিয়ান সাইফ ভোরের পাখি ডাকছে মাগো খোলো আঁখি দ্বার, নামাজ বিনে ওই না হাশর কেমনে করবে পার। ওহে প্রভু দাও খুলে দাও অন্ধ মনের তালা, তোমার তরে মিঠাই প্রভু
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম রোগ কখনো বলে কয়ে আসে না! মানুষ মাত্রই জীবনের কোন একসময় অসুস্থ হবেই! চেষ্টা অব্যাহত থাকা হলো, যতটা সময় নীরোগ থাকা যায়! আমরা অনেক সময় নিজের