কলমেঃ মোঃ সৈয়দুল ইসলাম স্বাধীনতা তুমি মায়ের কোলে সাহসী খোকার আসন, স্বাধীনতা তুমি সাতই মার্চের অগ্নিঝরা ভাষণ। স্বাধীনতা তুমি মুজিবের কণ্ঠ নবচেতনার জয়, স্বাধীনতা তুমি মায়ের হাসি ভোরের সূর্যোদয়। স্বাধীনতা
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ ছোট্ট খুকু করে বায়না, যাবে নাকি শশুর ঘরে। চাঁদ জেগেছে ওই আকাশে, তারারা সব করছে বায়না, খুকুকে নাকি নিয়ে যাবে। পাখিরা সব গান ধরেছে, খুকুর বায়না
কলমেঃ মোঃ জাবেদুল ইসলাম দেশটা কারো একার নয়, দেশটা হলো সবার। দেশটা মোরা সবাই মিলে, ঢেলে সাজাই আবার। দেশটা মোদের জন্ম ভূমি, সুখে করি বাস। অকারণে দেশের ক্ষতি, না করি
কলমে : শাম্মী তুলতুল চোখ এতো নড়ে কেন বোধ কেন নাই? কারণ তোমার তিলের কৈফিয়ত চাই শেষ সীমা আমি কেন, জড়তা কি নাই? কারণ তোমাতেই হারাতে চাই। বলি দশ বাজারে
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম পল্লী গায়ে জন্ম নিলাম বিলের কাদা মেখে ছিলাম, পেটের দায়ে গ্রাম ছাড়লাম শহরের জীবনে এসে পড়লাম! জোব মাটির গন্ধ গায়ে চড়েছি কত ডিঙি নায়ে, খরস্রোতা
কলামেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম আজকে তুমি অন্যের ঘরের বউ তোমার আমার প্রাক প্রেম জানতো নাতো কেউ! বিকেল বেলা তোমায় নিয়ে মধুমতীর পাড়ে ছুটাছুটি করছি কত হাতে-হাত ধরে । ভালোবাসার
অধ্যাপক ড. শহিদ মনজু কবিতা, যে শিল্পটি মানুষের অনুভূতির গভীরে প্রবেশ করে, তা দীর্ঘকাল ধরেই বিশেষ কিছু শ্রেণির জন্য সীমাবদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। সময়ের প্রবাহে, সাহিত্য এবং শিল্পকলা নানা ধরণের
মোঃ জয়নাল আবেদীন আকাশ কাঁদে রক্তধারা, শিশু কাঁদে মায়ের তরে, মানবতার ডাকে আজও, কত যে হৃদয় ভরে। ভাঙা ঘর, পোড়া গ্রাম, তবু তারা দাঁড়ায় স্থির, ন্যায়ের শপথ বুকে নিয়ে, করে
কলমেঃ আফসানা আক্তার কোথায় গেল ভোরের বেলার দোয়েল পাখির ডাক কোন আঁধারে মিলিয়ে গেল খেঁকশিয়ালের হাঁক, কোন আকাশে হারিয়ে গেল চাঁদের ফিনকি আলো মাথার কাঁটাও পাইতো খুঁজে,হোক না সেটা কালো।
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম বহু কবির কবিতা আমি পড়েছি বহু চরা নদী পাড়ি জদিতে হেঁটেছি, সব কবিতা কবিতা তো নয় চরা নদীর যৌবনা ঢেউ, কল্পনায় গুনেছি! কখন কবিতার শব্দ