কলমে: জনিক দেবনাথ যেন হেন মন তরি, ভাসেনো গঙ্গা জলে, যাহা হেন মোর তরি নিয়ে গেল চিলে। চারদিক তাকাই হেন, যেন লাগে ফাঁকা, তব হেন মোর তরি, চারোদিক বাঁকা। গেল
কলমে: শিরিনা আক্তার প্রিয় তোমাকে ভালবাসি শতবার বিদীর্ণ হৃদয়ে বেদনা দোলায়, তপ্ত নিঃশ্বাসে বালুকাবেলায় স্বপ্নের বসবাস। তোমার ছোঁয়ায় নব যুগ রচনা হয়েছে আবার। বৃক্ষের পাতার রন্ধে স্বরলিপির তরঙ্গের ছন্দেের মতো
কল্পজগতের এক গল্প যা মনের অজান্তেই লেখা হয়ে গিয়েছিল। আচমকা এক মুহূর্তে, তাহার মুখমণ্ডলে পলক পড়িবার মাত্রই যেন কোনো এক সমুদ্রে উত্তাল পাতাল ঢেউ উঠিয়া ছিল। ইহাকে বোধহয় খানিকটা ভূমিকম্পের
কলমেঃ স্বর্ণা তালুকদার প্রেম রবে এই বুকে থাকিনা আমি যত সুখে দুখে। থাকবে তুমি এই মনে যতনে সবার আড়ালে এই নিঠুর ভুবনে, জানি তুমি হবেনা আমার। পাবেনা তেমায় কখনো,
কলমে: নাইমুর রহমান সোহাগ কিসের এত দম্ভ বলো, কিসের এত বড়াই, মাটির দেহে বসে মানুষ আকাশ ছোঁয়ার চাই। দুনিয়ার মোহে ডুবে গিয়ে নিজেকে দেব ভাবি, ক্ষমতার মদে ভুলে যাই—আমি যে
কলমেঃ শামীমা তালুকদার ঘন কুয়াশায় ভরা আঁধার কালো রাত, আকাশে নেই কোন তারা, আঁধারে ঢেঁকেছে চাঁদ। আছে শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার শব্দ, দুর থেকে ভেসে আসছে শেয়ালের ডাক। নীরব চোখে চেয়ে
কলমেঃ আশিক খান নিতু পোড়া গাছে নতুন পাতা সাক্ষী আমাজন, মরা গাছেও ফুল ফুটবেই জীবন বড় ধন। মরে যাওয়া কি এতোই সোজা! জীবন জানে যুঝতে , হাতের পরে হাত দিয়ে
কলমে- কাকলি রানী ঘোষ হে আমার সরস্বতী মাতা, তোমায় কোটি কোটি প্রণাম, ওম জয় সরস্বতী ওম জয় সরস্বতী, বীণা বাদিনী পুস্তক হস্তে, রাজহংস বাহন তোমারি, শ্বেত কমল পুষ্প তোমার আসন,
কলমে: শিরিনা আক্তার লুকিয়ে কথা, ঝাঁকিয়ে মাথা, শুনছে এসে, দাঁড়িয়ে পাছে— বুকের মাঝে ধুকধুকানি। এটাও দিও, সেটাও নিও, বলছে হেসে দৌড়ে এসে— কেশদোলানী, কলকলানি। বিশ্বছবি আঁকছে সবই, কাব্যে কথায়, ছন্দে
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম মুদিত আঁখি আড়ষ্ট কণ্ঠস্বর নুইয়ে এলো মাথা ঈশ্বর বরাবর, বিপত্নীক বৃদ্ধের চোখে অশ্রু গড়ায় একাকিত্ব জীবন বছর দশ প্রায় ! হৃদয় ক্যানভাসে ভাসে জীবন ইতিহাস