লেখক: আব্দুর রহমান আবির পনেরো’শ বছর ধরে যে আঁধার জমেছিল, সতেরো কোটি প্রাণ তার তিমির ঘুচালো। ডিসেম্বর এলো, এলো ষোল তারিখ, ইতিহাসে লেখা হলো, ‘মুক্তির তারিখ’। রক্তের দামে কেনা এ
এস.এম,সাইফুল ইসলাম কবির: বাংলা সাহিত্যের মূল স্রোতের বাইরে, প্রান্তিক জনপদের নীরব অথচ গভীর সাহিত্যচর্চার যে ধারাটি অব্যাহতভাবে প্রবাহিত হচ্ছে—কবি মোঃ জাবেদুল ইসলাম তার এক উজ্জ্বল প্রতিনিধি। তিনি এমন একজন
কলমেঃ সুমাইয়া রহমান রুদ্ধদ্বারে দিক প্রহরে, বাজছে তুমুল সুপ্ত সুর — আমার চোখে ধ্রুবতারাও, হাল ছাড়া এক অশ্বারূঢ় আদি যদি উজ্জ্বলই হয়, ঝাপসা কেনো শেষ প্রহরে? আসলে বাদল পষ্ট আকাশ,
লেখিকা: নাজমুন নাহার রাজশাহীর এই ছোট শিশু নাম ছিলো তার সাজিদ, গভীর কূপে পড়ে সে আজ হয়ে গেলো শহীদ। সাজিদ ছিল ফুটফুটে সবার প্রাণের হাসি ভোরের শিশির ফোঁটার মতো ছিল
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম প্রেমের মহাকাশে তুমি উজ্জ্বল জ্যোতিস্ক তোমার গগন পটে সুন্দরী অপ্সরাও বিচরণ! তুমি জানো ব্যক্তিময়ী প্রেম, পরকীয়া প্রেম, অণুরাগ মাটি ঘেষা সুন্দরী সহজ-সরল নারীকে ঠকানো, নিত্য
কলমেঃ তানজিলা সুইটি ওদের আকাশে চাঁদ উবে গেছে সেই কবে ছোট্ট সে শিশুটিও সৃষ্টি হয়েছে আধো ঢাকা চাঁদে। মানুষ হয়ে মানুষে কি মানবিকতাহীনে কী নির্মম পশুর ছাপ অন্তরে! সেই
কলমেঃ সোনালী বসু বিকেলে আজ বসে ভাবছি তোমার কথা। চৈতি রোদে দগ্ধ হৃদয়ে তুমি নিবিড় শীতলতা! তুমি এতদিন কোথায় লুকিয়ে ছিলে? কেন এসে এতদিন পরে দেখা দিলে! সেই যে প্রথম
কলমেঃ এস এম অভি আকাশটা যতোই কালো হোক, ঝড় উঠুক বাতাসে, আমি দাঁড়াবো, থাকবো অটল, ভরসা আছে বিশ্বাসে। পাহাড় যতই উঁচু হোক, পথটা থাকুক কঠিন, আমি চলবো, থামবো না, স্বপ্ন
ইকবাল হাসান মাহমুদ এই বুকে ব্যথা দিয়ে ভেঙ্গে দিলে মনটা, দিবানিশি বিরহে তাই কাটে মোর ক্ষণটা। সুখ পাবো বলে বড় আশা নিয়ে বুকেতে, প্রেমে পড়ে ভেসে যায় আমি সদা দুখেতে।
দেশটা দারুণ ছেয়ে গেছে, অরাজকতায ভীষণ। যেথায় সেথায় মরছে মানুষ, মানুষ মারার মিশন। আইন আদালত মানছেনা কেউ, টোকাই এখন নেতা। কাকে মেরে কে খাবে তা, হয় কাহার আগে জেতা।