রূপা রানী সরকার আহ্, সকাল হল! বাইরে বাজে কত গোল, লেপের নিচে আমি, যেন এক গোলাকার রোল। জানলা দিয়ে রোদ আসে, সে তো দেয় খবর, কিন্তু আমার চোখ যেন, এখন
কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম একেক পাখির একেক রং, ফুলের সুগন্ধে মন ছুঁয়ে রয়! নীল আকাশে সাদা মেঘের ক্ষণে ক্ষণে মেলা হয়। হরেক রঙের মানুষের দেখা, ভিন্ন ভিন্ন দেশে। ভাষাও আবার
কলমে: সাংবাদিক- আশিক খান নিতু আমরা দেখবো, আমরা দেখবো নিশ্চিত জানি, আমরাও একদিন দেখবো সেই বাংলাদেশ। সেই দিন, যার প্রতিজ্ঞা করা হয়েছে, ভাগ্য লিপিতে যা লিখা হয়েছে, ভাগ্য লিপির
কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম রোজ বিকেলে দাঁড়িয়ে থাকতেন জানালার পাশে প্রিয় মানুষটি! একাকী এবং কি নানান স্বপ্নে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়ে যেত। পাশের বাড়ির লক্ষী ছেলেটা সকাল- সন্ধ্যা হারমোনিয়াম বাজিয়ে,
কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম এ বসুমতিতে জীবনটা কারো সুখের স্বর্গ, কারো আবার দু’বেলাও জুটেনা আহার! বিধাতা অতি দয়াময়, সকলের দিন করে পার। রাত যতই অন্ধকারাচ্ছন্ন হোক না কেন? ভোরের মিষ্টি
কলমে: রূপা রানী সরকার থরথর কাঁপে ধরা, একি ঘোর অন্ধকার? আকাশের বুক ফেটে নামে হাহাকার। নিথর প্রকৃতি যেন শোকে আজ স্তব্ধ, কোথায় লুকাবো মোরা, কোথা হব জব্দ? গুমরে ওঠে মাটি,
কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম মানুষ স্বপ্ন দেখে যখন তখন, হাসিমুখে থাকা এক দারুণ সম্ভাষণ। কতো যে লেখা থেকে যায় অপ্রকাশিত, থাকে না শিরোনাম! বৃষ্টির সময়টা একটু, ভিন্ন রকম৷ নিজের অজান্তেই
কলমেঃ সাহেলা সার্মিন সুমধুর আজানের সুর বাজিলে কানে নব্য শীতে মিলিয়ে যায় কাঁথা কম্বলে, কুহেলিকা কাটিয়ে উঠে দাঁড়াই নামাযে মন প্রাণ ভরে যায় কুসুম কোমলে। নব্য শীতে ধরে রাখে আমারে
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ধূমপান বিষপান ধীরে ধীরে যায় জান, এ নেশায় নাশ প্রাণ লয় করে জয় গান। ধূমপান করে যারা তিল তিল করে তারা, জান থাকতে যায় মারা
ধরণী উঠেছে জেগে মিষ্টি সকালের নির্মল আলোয়, কুসুমিত ধরা। জাগ্রত অন্তরে শুদ্ধ চেতনায়, সবুজ পাতায় আলোর ঝিকিমিকি। প্রেম সংগীতে পাখির সুরে, সুরভিত সমীরনে সুগন্ধি ভরে। চন্দন সৌরভ মুখরিত অন্তরে,