কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম ভোরের ঝলমলে একরাশ মিষ্টি আলোয় মন পাখি উড়ে যেতে চায় নীলিমায়! বিশাল আকাশ, নেই পথচলা! কিছু কিছু মেঘ ভেসে যায়, পাখিরাও শস্য শ্যামল ক্ষেত-মাঠ পেরিয়ে, আনন্দে
মোঃ জাবেদুল ইসলাম কবি তুমি হাফিজুর রহমান, লেখা তোমার চলমান। সমাজের নব অনাচার আরও, আছে যতো কু-সংস্কার। মেঘ কেটে চলে যায় আঁধার, জ্বলে ঝ্লমলে আলো।। মনের ভিতর ময়না আবর্জনা পরিস্কার
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম বাস্তবতা এমনই! অর্থের নয়তো প্রয়োজনের! সামান্য কিছু ব্যাতিক্রম। ফুল বাগানের ফুল চিনতে ভুল হয় না, কারণ প্রতিটি ফুলের নিজস্ব আলাদা আলাদা সৌন্দর্য, আকৃতি ও সুগন্ধ রয়েছে,
ভিন্ন মত নিজের শর্তে বাঁচতে চাওয়া নয়কো মোটে সোজা, প্রতি পদেই হোঁচট খাওয়া আর কিছু ভুল বোঝা। নিজের মত বাঁচতে আমি তাতে কার কি ক্ষতি? সংসার মানে বোঝাপড়া এছাড়া
কলমেঃ রূপা রানী সরকার মাটির সোঁদা গন্ধ, সবুজ ঘেরা ঘাস, এই আমার গাঁও, এ আমার আশপাশ। আঁকাবাঁকা মেঠো পথে, হেঁটে চলি রোজ, দু’ধারে ধানের খেত, মন করে খোঁজ। ঐ দূর
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম জীবনটা খানিকের, স্বপ্নের, সুখ-দুঃখ হাসি আনন্দের, সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার লড়াই বা যুদ্ধের! এই ছোট্ট জীবনে নিত্য নতুন খেলায় জড়িয়ে পড়ি আমরা। জীবনের এই খেলাঘরে, খুঁজে
হেমন্তের ছবি আঁকা হেমন্ত কালে চারিদিকে যেন সোনালী পাকা ধান, কৃষক কৃষাণীরা মানের সুখে, গায় হেমন্তের গান। কাস্তে হাতে চলছে কৃষক, দল বেঁধে সব মাঠে, সারি বেধে সব এক
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম গুপ্ত বুকটা উদাম করে , নগ্ন হলাম তোমার কাছে নিজের বোতাম নিজে খুলে এগিয়ে যেচে ! সতেরো বছর তোমায় ছাড়া সংসার খানা কেমন আছে তোমার
কলমে: জোনাকি আফরিন জুঁই মিনু উঠ সকাল হয়েছে যাবি না আজ স্কুলে, আজ যাবনা কাল যাব মা পড়া গিয়েছি ভুলে। ঘুমের ঘোরেই ভুলে গেলি পড়া এ কি ধরনের কথা, আর
কলমেঃ সাহেলা সার্মিন এই ছবিটা দেখ খোকা– এটা তোর যখন পাঁচ বছর বয়স তখনকার তোলা, দেখ্তো কতো সুন্দর লাগছে! ঠোঁট দু’টো কেমন আপেল রঙের! আর এখন,আয়নায় নিজের চেহারাটা দেখ, কি