কলমেঃ মমিনুল পথিক মেঘমুক্ত নির্মল আকাশ হতে চাঁদ যেন রজত ধারা ছড়িয়ে দেয় ঘুমন্ত ধরিত্রীর বুকে। ঝলমলে সোনালী আলোয় হেসে ওঠে প্রভাত। কোমল স্নিগ্ধতায় পরশ বুলিয়ে দেয় মরা কার্তিকে। ফসলের
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম সোনার বাংলাদেশের পরিচিতি এখন দুনিয়া জুড়ে। নতুন করে দেশের স্বাধীনতার আনন্দ সবার ঘরে ও বাইরে। পঞ্চাশ বছরের বাংলাদেশে দেশের জন্য বহু মানুষ দিয়েছেন প্রাণ! কেহ আবার
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম সে-ই কি গো শেষ দেখা এমন এক বর্ষার রাতে এসেছিলে, বৃষ্টি কাদা গায়ে মেখে, কাক ভেজা হয়ে সিক্ত বসনে, লাজুক আহ্বানে, অকৃত্রিম ভালো বেসেছিলে! যদি
কলমেঃ রোজ দীপিকা এই শহরে মুখোস আছে, মানুষের গল্প ভার, প্রণয় দহে পোড়ছে ক্ষত- গ্রীন লীফ দন্ড যার! পথিক আমি শান্ত নীড়ে, ইট পাথরের দেয়াল – দিনের শেষে আকাশ পানে,
ড.প্রসেনজিৎ কর্মকার আজও আসে ভাইফোঁটার সকাল, চন্দনের গন্ধে ভরে যায় বাতাস, বোনের হাতে থালা, চোখে আলো, তবু ফোঁটার মাঝে মিশে যায় হাহাকার। ভাই দূরে, ফোনে মুখ দেখা যায়, ভিডিওর পর্দায়
শিক্ষক শিক্ষক তুমি মহান তোমায় শ্রদ্ধা সমাজকে কর শুদ্ধ সদা তবু কেন আজও শিক্ষকরা পায়না অধিকার শিক্ষক জাতির কর্ণাধার মানতে হবে তাঁদের দাবী শিক্ষক তুমি সত্য পথের সাথী শিক্ষক
পড়তে হবে মন দিয়ে পড়তে হবে মন দিয়ে, গড়তে হবে দেশ। দেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে, বাঁচতে হবে বেশ। গুরুজন দের প্রতি কথা, রাখতে হবে মনে। তাদের কথা স্মৃতি ছবি,
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ ফুলের সম্ভারে নূয়ে পড়েছে কোবির মন। ফুলে ফুলে মিষ্টি গন্ধে, যেন বসন্ত ফুটেছে মনে। কোকিলের আনাগোনা চলছে, কুহু কুহু শব্দে। নির্মল বাতাসে ভরে আছে কবির মন।
কলমেঃ বাসুদেব বসু কেঁদেছে মন থেকে থেকে বার বার, মনে পড়ে অতীতের সেই কথা আরবার। সেই বকুলতলা হাতে হাত রেখে, বলেছিলে মোরে থাকব সাথী হয়ে। যাবনা কোনদিন তোমা ছাড়ি, থাকব
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম মানুষ মাত্রই সখ রয়েছে, হয়তো নেই সকলের সখ পূরণের সুযোগ, সময়, অর্থ,বয়স,পরিস্থিতি আর পারিপার্শ্বিকতা। কবি- লেখকের স্বপ্ন, লেখা প্রকাশিত হোক, একদিন নিজের সব লেখা দিয়ে গ্রন্থ