নিজস্ব প্রতিবেদক: গত ১৯ অক্টোবর (রবিবার) কবি ও সংস্কৃতিজন বিনয় দেবনাথ এর জন্মদিন অনুষ্ঠান বিকাল সাড়ে চারটায় ময়মনসিংহ ন্যাশনাল পাবলিক কলেজ মিলনায়তনে (১৬ কালীশঙ্কর গুহ রোড, লারিভ শোরুম সংলগ্ন,
কলমেঃ রতন চন্দ্র সরকার পেটের দায়ে ভিক্ষুকেরা করে খায় ভিক্ষা এখান থেকেও আছে মোদের অনেক কিছু শিক্ষা বয়স কালে করেনি কাজ, খেয়েছে হেলে-দুলে তাই-তো আজ যেতে হয় অন্যের দ্বারে দ্বারে
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ কোজাগরি লক্ষী এলেন পূর্ণিমা তে, ঘরে ঘরে খুশির জোয়ার বইলো প্রাণে, পান সুপারির ছোঁয়ায় বরণ করি, আসন সাজায়ে আলপনা আঁকি, বসবেন মাতা আসন পরি, ঘট উপরে
নিজের পরিচয় চন্দ্র স্থিত হলে সাধনা তোমার সমাপ্ত হবে, প্রভুত্বের মর্যাদায় উন্নীত হলে সাধনার করবে কার জন্যে? ইহা অতি উচ্চ পর্যায়ের স্থিতি অস্তিত্বে স্থিত হয় অসীমতার পরিচিতি, সেই পর্যায়ের
কলমে: সেলিম ইসলাম সাদিক বেদনাকে আমি করি না ডর, হিম্মত রাখি বুকে। বেদনার পরেই তৃপ্তি মিলে, তাইতো বলে লোকে। শলাকাকে আমি করিনা শঙ্কা, পুষ্প তুলিবো বলে। বেদনা বিনে সুখের পঙ্খী,
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম আমার সারা জীবনটা বেদনায় আছন্ন ব্যর্থতায় ভরা একাকিত্বের যন্ত্রণা, কাশ বনের কন্যা নিয়ে শুরু হোলো জীবন আভিজাত্য ছিলো তার, তবে আমার গ্রাম্য পরিবারে বপন করে
কলমেঃ রতন চন্দ্র সরকার মৃত্যু ভয় বলো কার না হয় সবার মৃত্যু একদিন হবে নিশ্চয় তবুও কেন মানুষের মনে মৃত্যুকে এতো ভয়। মৃত্যু ভয়ে কাতর হয়ে মৃত্যুকেই কাছে ডাকি কল্পনার
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ চলেছে পথিক দলে দলে। নতুন সূর্যে ভোরের আগমন। আলোয় আলোয় ভরাবে প্রাণ। মনের সিংহাসনে রাখি তোমায়। মন ময়ূরী নৃত্য করে কলরবে। সত্যের সন্ধান করে চলে, ওই
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম বাবা- মা আমার সারাটি জীবন কাটিয়েছেন সাহিত্য আর লেখালেখি নিয়ে! যদিও আমি ছিলাম ছোট, দেখেছি রোজ বিকেলে বাবার কাছে আসতেন শহরের কেহ না কেহ কবি
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ ভারতের জন্মকথা করি বিবরণ। প্রাচীন সভ্যতা মানে সিন্ধু সভ্যতা। রচিত হয়েছিল বেদ উপনিষদ মহাকাব্য। যেথায় জন্ম বুদ্ধ মহাবীর সম্রাট অশোক। চিন্তায় চেতনায় তারা ছিলেন অসামান্য। সিন্ধু