কলমেঃ আল হাফিজ সহসা এক লোকের সাথে হলো আমার দেখা, করুন সুরে বললেন তিনি আমি বড় একা। দুনিয়ার বুকে একটি শাবক ছিলো আমার ঘরে, চাকরি পেয়ে মোদের ছেড়ে চলে গেছে
কলমেঃ চন্দনা রানী জানিনা কেন এমন অনুভব হয়, জীবন যেন এক অচেনা পথ। বেঁচে থাকার ইচ্ছা ছিল প্রবল, কিন্তু কেন যেন হারিয়ে যাচ্ছে একে একে সব। একটি বিষাক্ত শব্দের ছোঁয়ায়,
লাল সবুজের দেশে আমার দেশে সূর্য উঠে রক্ত লাল হয়ে। সাত সকালে মাঝি ভাই, নৌকা চলে বয়ে। ফুল বাগিচায় ফুলেরা সব, উঠলো ফুটে হেঁসে। নীল আকাশে মেঘেরা যেন, যাচ্ছে
মেঠোপথের ভোর বাড়ির পাশে মেঠো পথে আঁকা বাঁকা রাস্তা সকাল হলে শিশির জমে মনে মেলে আস্থা ধানের ডগার শীষে জাগে বিন্দু বিন্দু কণা ভোরের আলো ফোটার মতো চোখে খেলে
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম একদিন যার অপেক্ষায় কেটেছে রাত-দিন খুঁজেছি যারে শ্রাবনের বৃষ্টি ধারায় সৃষ্ট মিলিয়ন বুদবুদ গুনে! হেমন্তের দুর্বা ঘাসের শিশির সিক্ত পাতায় শরতে কদম কেয়ার পাপড়ি গুচ্ছ
কলমেঃ পত্রলেখা ঘোষ সন্দেহ এক মানসিক ব্যাধি বড় ভয়াবহ ভাই, সন্দেহ বীজ রোপিত হইলে আর তো শান্তি নাই। ঘর সংসার হবে বিঘ্নিত শেষ হবে মধুরতা- যৌক্তিক কথা সব লাগে
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম কবিতার পাতা আস্তে আস্তে পুরোনো হয়! আর বয়সের সাথে সাথে চোখের দৃষ্টিশক্তিও লোপ পায়! তবুও মনের লেখনী চিরদিন রয়েই যায়, হৃদয়ের মনি কঠোয় অবিরাম একইরকম সারাটিজীবন।
জ্ঞানের আলো শিক্ষা গুরুর জ্ঞানের আলো আঁধার করে নাশ, সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত লোক সুখী সংসার বাস। শিক্ষা দীক্ষায় পদার্পণ লাভ মানুষ গড়ার কাজ, সবার নিকট তাঁর জীবনের সভ্য সমাজ
কলমেঃ হাবিবুল্লাহ মুখতার (সজিব) কিছু পথ হেঁটে যাই রোজ, তবু মন খোঁজে অন্য বাঁক, যেখানে রোদেরা হাসে, আর সবুজে মিশে থাকে অবাক হাওয়াকল। জীবনের এই অচেনা স্রোতে, কতো শত ঢেউ
নীল সাগরের ঢেউয়ে ওই নীল সাগরের তীরে ঢেউয়ে ঢেউয়ে। বসে ভাবি তোমারই কথা। এই ঠান্ডা ঠান্ডা বাতাসে । এই শীতল পরশে। দূরে থেকেও কাছে এলে তুমি। সাগরের ফেনায় ফেনায়।