কলমেঃ চন্দনা রানী একদিন আমি মায়ের পাশে চুপটি করে বসে, গলা জড়িয়ে বললাম আমি— থাকব না এই বেশে। হঠাৎ যদি মাগো আমি অচেনা রাজ্যে যাই, নিরুদ্দেশ হওয়ার আগে মাগো, ক্ষমা
বৃষ্টি ঝরে ঝরে ঝর্ ঝর্ ধারা, অশ্রুর মতো স্নিগ্ধ তারা, মেঘের ডাকে বাজে গান— ভিজে ওঠে অশান্ত প্রাণ। তটিনীর ঢেউ দুলে যায়, পল্লব ভিজে ছায়া ছায়া, মাটির গন্ধ জাগে
কলমেঃ মো. আব্দুল আলিম মাঠে মাঠে পাকা ধানে চাষি ভায়ে কাটে, রোদে পুড়ে জলে ভিজে সারা দিনই খাটে। মাথায় মাথাল হাতে কাঁস্তে গামছায় বাঁধা রুটি, গাঁয়ের ছেলে দল বেঁধে
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম বয়স আমাদের যেমনই হোক না, আমরা সবসময় কিছু না কিছু নিয়ে ভাবি। কখনই সবকিছু প্রকাশ করি না। আমরা আমাদের হৃদয় থেকে কথা বলি। আমাদের মনের অব্যক্ত
অন্তর জুড়ে তুমি চোখ মেলিয়া পাইনা খুঁজে চোখ বুঝিলে পাই, তাইতো সখি আপন মনে তোমারই গান গাই।। তুমি আমার জীবন সাথী তুমি সকল কাজে, আশায় বাঁচি স্বপন দেখি তোমার
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম হে-নারী তোমায় নিয়ে নরের অদমিত কৌতুহলের নাই শেষ কোথায় তোমার সৌন্দর্য, উর চিবুক অবয়ব নাকি ওষ্ঠ? দেহ ই দেখে, অভূতপূর্ব মন ছুঁতে চায়না, সন্মান শ্রদ্ধা
কলমে: মোঃ হাসিদ মোমিন তুমি সেই কবিতা, যা প্রতি দিন ভাবি কিন্তু লিখতে পারি না। তুমি সেই ছবি.. যা কল্পনা করি কিন্তু আঁকতে পারি না। তুমি আমার রঙিন স্বপ্ন, যা
মুহাম্মদ কাউছার আলম রবি সূর্য আজ হাতের মুঠোয়, লাল আলোয় ভিজে যায় চূড়োয়। ইনানীর তীরে আমি দাঁড়াই, ঢেউ বলে, “দিনটা শেষ ভাই!” সোনালী রোদে সাগর হাসে, বালির বুকে ছায়া ভাসে।
কলমেঃ জোনাকি আফরিন জুঁই ভোর বেলাতে উঠিয়া দেখি কুয়াশায় ভেজা ঘাস, খালের পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে প্যাক প্যাক করছে হাঁস। দূর হইতে দেখা যাইতেছে হালকা কুয়াশায় ঢাঁকা, জনমানব নেই যে কেউই
মোহাম্মদ সহিদুল আলম সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ, মাঝে মাঝে তুষার বৃষ্টির আসা যাওয়া! মনে পড়ছে ছোটবেলার দিনগুলি। বর্ষাকালে ডুমুর গাছে ডুমুরে পরিপূর্ণ, আর শুপারি গাছে শুপারি, গাছ ভিজে ভিজে পড়ছে