কলমেঃ সাহেলা সার্মিন মায়া-মমতা,স্নেহ- আদর-ভালোবাসা সব সৃষ্টি কুলেই দেখা যায়, মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত, তার গুণেই সুশোভিত হয় ধরা। মানুষ সুন্দর! সুন্দর তার গুণাবলি, এই গুণকে সযত্নে লালন করো হে মানব
কলমে: মোহাম্মদ সহিদুল আলম জীবন একটি, আর কতটা দিন বাঁচবে তা সকলের অজানা। তবুও মানুষে মানুষে অশান্তি আর গন্ডগোল চলছে চলমান। আমাদের সবচেয়ে বড় পরিচয়, আমরা সবাই মানুষ। দুনিয়া এই
কলমে: শামসুন্নাহার সুমা দ্বগ্ধ আমি যন্ত্রণায় কাতর সর্বাঙ্গ চতুর্দিকে খুঁজি বারীধারা নাহি মিলে তার কোন সাড়া। আমি কাতর হয়েও ছোটাছুটি করি পানি পানি পানি বলে- সবাই আমায় দেখে ছবি তুলে
কলমেঃ ইকবাল খান বসন্ত আসে— মাটির গন্ধ ভেসে আসে হাওয়ায়। ফুলেরা হেসে আকাশের কোণ ছোঁয়। পাখিরা গায় নিঃশব্দ গান, প্রকৃতি খুঁজে নেয় নতুন সুর। ঝরনার জলে সূর্য খেলা করে।
শান্তির ভাবনা শান্তির ভাবনা প্রজ্জ্বলিত প্রদীপে, আকাশ ছুঁয়ে যায় নিয়ম ঘেরে। শান্তির পিছু ছুটে দেখে নিতে, শান্তি কাকে বলে বুঝে নিতে। কিভাবে থাকলে চললে বললে, শান্তির পথ প্রশস্ত হবে।
কলমেঃ আফসানা আক্তার নিয়মের বিপরীতে এক উর্ধমুখী স্রোতে চলেছি আমি একা,ভয়হীন প্রহরে, সব নিয়ম ভাঙা কাচের মতো ঝরে পড়ে অন্তরাত্মায় তবু স্বপ্নগুলো জ্বলে। তারপর কি হবে, প্রশ্নের জেরবারে উত্তরহীন দিনেরা
কলমেঃ একাকিত্বের বিষাদিনী (মাহিয়া ইসরাত তারিন) পদ্মবতী…… শুনছো, তোমার রূপে আমি হারিয়ে গিয়ে খুঁজে পেয়েছি কিছু ছন্দ। পাপড়ি গুলো দুলছে তোমার, সবুজ পাতার ঢাল নীল আকাশে মেঘ ভেসেছে,সবটাই– তোমার
কলমেঃ জোনাকি আফরিন জুঁই নীল গঞ্জের রাজেশ মিত্র বানায় মাটির হাঁড়ি, শসান ঘাটের একটু দূরেই কুমোর পাড়া বাড়ি। মৃৎ শিল্পের কাজে লাগেন রাত্রি যখন পোহায়, বৈচিত্র্যময় সৌন্দর্য পায় তার হাতের
কলমেঃ মমিনুল পথিক মেঘমুক্ত নির্মল আকাশ হতে চাঁদ যেন রজত ধারা ছড়িয়ে দেয় ঘুমন্ত ধরিত্রীর বুকে। ঝলমলে সোনালী আলোয় হেসে ওঠে প্রভাত। কোমল স্নিগ্ধতায় পরশ বুলিয়ে দেয় মরা কার্তিকে। ফসলের
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম সোনার বাংলাদেশের পরিচিতি এখন দুনিয়া জুড়ে। নতুন করে দেশের স্বাধীনতার আনন্দ সবার ঘরে ও বাইরে। পঞ্চাশ বছরের বাংলাদেশে দেশের জন্য বহু মানুষ দিয়েছেন প্রাণ! কেহ আবার