কলমেঃ সাহেলা সার্মিন তুমি তো স্বপ্নচারী কতো স্বপ্নের জাল বুনো, আমার সম্মুখে কালবৈশাখী থরথর করে কাঁপা বজ্রপাতে ধেনু! দক্ষিণা মলয় পুলকিত তোমার আলয় হস্ত জুড়ে কতো সোহাগি ললনা, আদরে বাড়ায়
খুকির বায়না চাঁদের কোলে বসবে খুকি এটাই নাকি বায়না, কান্নাকাটির তালে তালে কোন খাবার খায় না। চাঁদের দেশে কেমনে যাবে- বাবা ভেবে পায় না। তাইতো বাবা বাজার থেকে আনলো
বি. পি শাকিলা জান্নাত কত ভিন দেশের গল্প শুনি কত না শুনি বিত্ত সুখ্যাতি। কত দেশ কত দূর এগিয়ে গিয়েছে গড়েছে আকাশচম্বী ভবন। তাহা দেখে পাশ্বদেশ বাড়িয়ে দিল আরও দুকদম।
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ কুমড়ো ফুল ধরেছে মাচাই, প্যাচেঙ্গা পড়েছে ঝুলে। আউশ ধান হাসছে মাঠে, হেমন্তে,’ নবান্নে’ আগমনে। পূর্ণিমাতে কোজাগরী লক্ষী, দিলেন শস্য, অন্নে ভরি। বেনে বউটা আমের ডালে কোরছে
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল অবিচার অনাচার ফেতনা ফ্যাসাদ দুর্ভোগ দুর্গতি বাড়ছে দিনরাত, চলছে অনিয়ম সাথে যাতনা বাড়ছে সহ্য করার ক্ষমতা। দুর্নীতি স্বজনপ্রীতি যাচ্ছে বেড়ে সমাজে সত্য চলে অবনত বেশে,
মানুষ মরে ফাঁদে পড়ে, মানুষ পাতে ফাঁদ। সেই ফাঁদে পড়ে মানুষ, হয় যে কুপোকাত। সরল সোজা মানুষ তারা, বুঝে সোজা কথা। তোমার মনে কি আছে, বুঝে না যে অযথা।
বিনয় দেবনাথ শূন্য ডাঁটির কাছে নাই কারো চাওয়া–পাওয়া উড়ে যায় কাশফুল উড়ে যায় হাওয়া। শুভ্র কাশের ফুল কোথা যে হারায় আকশের সাদা মেঘ দূরে ভেসে যায়। কপোত-কপোতী আর করে
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি বাংলার বুকে জ্বলে আলোর দীপ, অধ্যক্ষ সরওয়ার সত্যের নীপ। মানবতার তরে চলেন নির্ভীক, জ্ঞান ও প্রজ্ঞায় চলেন সঠিক। সমন্বয় পরিষদ গড়েন তিনি, ঐক্যের ধ্বনি তোলেন
কলমেঃ মোহাম্মদ সহিদুল আলম বাস্তবতা এমনই! অর্থের নয়তো প্রয়োজনের! সামান্য কিছু ব্যাতিক্রম। ফুল বাগানের ফুল চিনতে ভুল হয় না, কারণ প্রতিটি ফুলের নিজস্ব আলাদা আলাদা সৌন্দর্য, আকৃতি ও সুগন্ধ রয়েছে,
কলমেঃ চন্দনা রানী চাঁদ যদি মেঘে মুখ লুকায়, তবু তার আলো পথ চেনায় — তেমনি তুমি, দূরে থেকেও, আমার জীবনে সুর হয়ে থেকো। নিশী রাতে বাতাস যখন অকারণ কেঁদে ওঠে