কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির প্রভাতে, বকুল তলাতে বলেছিলে তুমি, মোর কপাল চুমি, ভালোবাসি তোমায়! লাজুক আঁখি, চোখ নিচে রাখি, পায়ের বৃদ্ধ আঙুলে খুড়লে মাটি বলেছিলাম, বুকে
কলমেঃ জাসমিনা খাতুন নির্জন প্যাঁচার মতো আমি একা—রাত নামলেই বিছানাটা বড়ো ফাঁকা। দেয়ালঘড়ির টিকটিক শব্দ, মনের ভেতর একটা শূন্যতা। মা, আমাকে ঠান্ডা লাগছে— কম্বলটা আছে, কিন্তু তোমার কোলটা নেই। মা,
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম হেমন্তের প্রকৃতি শীতলতায় ভরা কালেভদ্রে কোথাওবা দেখা দেয় খরা! রাতে শিশির ফোঁটা যেন বৃষ্টি ঝরায় শিশু-কিশোর বৃদ্ধ, শীত নিবারণে, আগুন জ্বালায়! দুর্বা ঘাস তুষারে, শ্বেতশুভ্র
মোঃ জাবেদুল ইসলাম রমনীগঞ্জ, বড়খাতা, হাতীবান্ধা লালমনিরহাট, বাংলাদেশ এই যে পাখিরা উড়ে ছেড়ে যায়, মুক্ত স্বাধীন বেশে। নীল আকাশে মেঘের ওপারে অজানা কোনো দেশে। নীল পরীদের দেশে দেশে পাখিরা ডানা
কলমে: ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম তুমি কি কখনো হেঁটেছো মটরশুঁটি সরিষা ক্ষেতের আল ধরে? ভিজিয়েছ আলতা মাখা দু’টি পা শিশিরে মেখেছো সরিষা ফুলের পরাগ রেণু গা ভরে? কখনো হেঁটেছো সেই
কলমেঃ শিরিনা আক্তার বন্ধু তুমি মুক্ত হারানো দিন কিছু কথা বলা পাশাপাশি চলা রয়েছে অনেক ঋন। বন্ধু তুমি শেষ বিকেলবেলা শাসনে বারনে ছুটোছুটি করা, লুকোচুরি খেলা হয়েছে অনেকদিন। বন্ধু তুমি
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম কতোবার তোমার প্রেমে পড়েছি তোমাকে নিজহাতে নিজের করে গড়েছি! রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতার “অমিত” ভেবেছি লাবণ্য হয়ে বিচ্ছেদের কথা ভেবে প্রমোদ গুনেছি! তুমি শান্ত এক গম্ভীর,
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম আমি প্রশান্ত মহাসাগরের ফায়ার জোনে থাকি আচমকা ভুমিকম্পে কেঁপে ওঠে ম-ম হৃদয়, বুঁজে আসে আঁখি, মনের চিন্তাগুলো শুকনা পাতার মত নিচে ঝরে পড়ে আমি ভেসে
কলমেঃ শিরিনা আক্তার তোমার সাথে দেখা না হলে ভালোবাসার দিগন্তটা হতো না ছোঁয়া, তোমার নয়নে না চাইলে জ্বলে উঠতো না স্বপ্নের প্রদীপটা। হয়তো-বা আগের জন্মে ছিলো কোন মনীষীর দোয়া !
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম সে-ই কি গো শেষ দেখা এমন এক বর্ষার রাতে এসেছিলে, বৃষ্টি কাদা গায়ে মেখে, কাক ভেজা হয়ে সিক্ত বসনে, লাজুক আহ্বানে, অকৃত্রিম ভালো বেসেছিলে! যদি