লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল পরম করুণাময় মহান আল্লাহ মেহেরবান বছর ঘুরে এসেছে কল্যাণময় রমজান, রহমত মাগফেরাত নাজাত নিয়ে আগমন পাপ-পঙ্কিলতামুক্ত জীবন তাকওয়ার জাগরণ। সংযম আর ধৈর্যের মাস মাহে রমজান
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম তোমার বিস্মৃত সেই রাতে, বকুল তলে নিষিদ্ধ তৃষ্ণা ছিলো তোমার দু’চোখে, মর্তের মৃত্তিকা হয়ে দাঁড়ালাম, আলো-আঁধারে তোমায় ঘেষে তোমার শ্বাস-প্রশ্বাসের গরম নিশ্বাস লাগলো আমার বুকে!
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ ভালো তোরা বাসবি না কেন বল তো দেখি। ভালো তোদের বাসতেই হবে, ছাড়বো না তা কোনদিন। ভালবাসা নিয়েই ছাড়বো দেখিতো কেমন পারিস। তুই না আমার দেশের
কলমে: শিরিনা আক্তার প্রিয়, গতকাল জাহান ভাইয়ের হাতে পেলাম তোমার চিঠিটা। জানলাম— তুমি আছো যুদ্ধের ময়দানে, দেশের ডাকে প্রাণপণে লড়ছো। চিঠিটা বুকের কাছে চেপে রেখেছিলাম কিছুদিন, তারপর রাজাকারদের ভয়ে ছিঁড়ে
ফাগুন মনের আগুন জ্বালায় রক্তে জাগে বান, সংগ্রামে সংগ্রামে জেগে ওঠে যেন বাংলা ভাষীর প্রাণ। রফিক,সালামের, রক্তে কেনা মোর বাংলা আমার ভাষা, ফাগুন এলেই মনের গোড়ায় জাগে নব আশা।
কলমেঃ মোঃ হাসিদ মোমিন আমি নিজেকে সঁপে দিয়েছি তোমার কাছে, যেমন এক রোদ ঝলমলে দিন সঁপে দেয় ভয়ংকর রাত্রিতে। সঁপেছি তোমায় আমার এ দেহ সঁপেছি আমার মন, আর রঙিন স্বপ্ন।
কলমেঃ নাজমুল তারেক তুষার (কবিতার কৃষক) বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক বিখ্যাত শ্লোগানটির প্রতিষ্ঠাতা/ জনক বলে খ্যাত – মাওলানা কবি হাসরত মোহানি। (১৯২১ সালে) হাসরত মোহানি তাঁর ছদ্মনাম, প্রকৃত নাম সৈয়দ- ফজল-উল-হাসান
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল একুশে ফেব্রুয়ারি আমার অহংকার শহীদ রফিক শফিক বরকত জব্বার, ভাষার জন্য জীবন দেওয়া সাহসী উপহার বারবার ফুলে ফুলে ভরে শহীদ মিনার। অক্ষর বাঁচাতে বুক পেতেছিল
কলমেঃ রকি আক্তার দুনিয়া যখন নিজস্ব অহংকার, প্রতিযোগিতা আর অস্থিরতার উত্তাপে দগ্ধ হতে থাকে, যখন মানুষের চোখে আলো থাকলেও অন্তরে জমে ওঠে অদৃশ্য অন্ধকার, তখন তুমি আসো হে রমজান নীরব
মোঃ জাবেদুল ইসলাম একুশ মানে আমার ভাইয়ের, রক্ত রাঙা ফেব্রুয়ারী। একুশ মানে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ মোরা বাঙালি। একুশ মানে বাংলা মায়ের, মুখের প্রিয় বাণী। একুশ মানে রাষ্ট্র ভাষা, বাংলা ছিনিয়ে