কলমেঃ বাসুদেব বসু (শিক্ষক)। নব জীবনের পরশ পেয়ে মাতিয়াছে সকল যুবক -যুবতী, এসেছে বসন্ত ঋতু মিলেছে সবাই আজি। চারদিকে কোকিলের কুহুতান মর্মর পাতা ঝরেছে সবই, নূতন পাতায় সবুজের মেলা শিমূল
যাও, তোমাকে মুক্ত করে দিলাম দুটি শাপলা কলির নিমিত্ত— যারা ফুঁটতে এসেছে সুভাস ছড়াবে বলে। যাও, তোমাকে মুক্ত করে দিলাম এক অচেনা পাখির নিমিত্ত— যে মন–আকাশে পাখা মেলে নিশ্চিন্তে উড়বে
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বসন্ত আসে নরম রোদে হেসে হেসে আমের মুকুলে মিষ্টি গন্ধ বাতাসে ভেসে, বাতাসে দুলে চারিপাশে শিমুল-পলাশ রঙে রঙে ভরে ওঠে প্রকৃতির আকাশ। প্রজাপতি ডানা মেলে
কলমেঃ ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম জীবনের গোধূলিলগ্নে এসে, সন্যাসীর বেশে তোমার সাথে হয় যদি দেখা অবশেষে? সেই খরস্রোতা পয়স্বিনী মধুমতির পাড়ে যদি সেথা দেখি জটা ধারী এক নারী ,
মোহাম্মদ ইয়াসমিন আরাফাত প্রতি হিংসা আর বিদ্বেষী নয় ইসলামি রাজনৈতি। এসব করে যারা- সয়তানের দল তারা। নির্বাচনের সময়, প্রার্থী সবাইত কয়- গড়ব আমি দেশ, সোনার বাংলাদেশ। দুর্নীতিতে যারা যুক্ত, করব
ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম আমি স্বামীর কাছ থেকে ডিভোর্স চাই ধর্মাবতার, আমি সেই রায় যেন পাই! পয়তাল্লিশ বছর দাম্পত্য জীবন তার সাথে ভালোবাসা বিহীন সংসার জীবন, আমার হাত ছিলো
কলমেঃ রতন চন্দ্র সরকার যে ধর্মে তোমার হয়েছে জন্ম সে ধর্মে তুমি রানী পরো ধর্ম করলে গ্রহন হয়ে যাবে দাসির দাসি মানব ধর্ম শিখিয়ে তোমায় ফেলাবে তাদের প্রেমে ধীরে ধীরে
কলমেঃ চন্দনা রানী আমি অপেক্ষা করি— শুধু তোমার মুখের সেই মিষ্টি ডাকটি শোনার জন্য। অপেক্ষা করি তোমার একটি ছোট্ট নোটিফিকেশনের মতো হঠাৎ আসা বার্তার জন্য। আমি অপেক্ষা করি— তোমার মুখের
ইঞ্জিঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম হে নীলিমা, হে নারী, অবগুণ্ঠন দৃশ্যের আড়ালে কেন দাঁড়াও আমি কবি, আকি তব ছবি, কৃপা করে একটু খাড়াও! আমি শ্রান্ত, বিষন্ন, উদরে নাই অন্ন, শরাবের নেশায়
কলমেঃ জেনিফা জামান মায়ের মুখের ভাষা গুলো সেদিন শ্বাসরুদ্ধকর বাতাসে হাঁপিয়ে উঠেছিলো। শেকঁড়ের ডাকে অক্ষর গুলো মুক্তির জন্য মুক্ত আকাশ চেয়েছিলো। সেদিন বর্ণমালায় লেগেছিলো তাজা রক্তের দাগ। ভাষার জন্য প্রতিবাদ,শিরার