কলমেঃ জেনিফা জামান মায়ের মুখের ভাষা গুলো সেদিন শ্বাসরুদ্ধকর বাতাসে হাঁপিয়ে উঠেছিলো। শেকঁড়ের ডাকে অক্ষর গুলো মুক্তির জন্য মুক্ত আকাশ চেয়েছিলো। সেদিন বর্ণমালায় লেগেছিলো তাজা রক্তের দাগ। ভাষার জন্য প্রতিবাদ,শিরার
কলমেঃ শিরিনা আক্তার আমার দেশ শুধু মানচিত্রের সীমারেখা নয়, এ আমার হৃদয়ের এক অন্তহীন ভুবন— এখানে, নদীর কলতানে জেগে ওঠে আমার শৈশব, শস্যক্ষেতের ঢেউয়ে দোলে আমার স্বপ্নের স্পন্দন। গ্রীষ্মের প্রখর
কলমেঃ মোঃ আবু রায়হান কাফন – জীবনের সবথেকে তুমিই আপন ! তোমারে গায়ে জড়াইয়া যেতে হবে আপন ঘরে – সেই তোমারে স্মরণ করার সময় পায় না হঠাৎ যখন খুব একা
কলমে: নাইমুর রহমান সোহাগ ভালোবাসা কোনো দিনের ক্ষণিক সাজ নয়, এটা হৃদয়ের ইবাদত, আল্লাহরই পথের জয়। যে প্রেম থাকে নীরবে, তাকওয়ার গভীর ছায়ায়, সেই প্রেমই আলো হয়ে জান্নাতের পথে যায়।
বাঙালি জাতির গৌরবের শ্রেষ্ঠ সন্তান, এ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, সেলুক জানাই তোমাকে। বাংলার স্বাধীনতার পক্ষে অনব্রত লড়ে গেছেন আপনি সেই মহান। জাতির এক ক্লান্তিলগ্নে এসে, শত্রুরা স্বাধীনতার ধরেছে গলা চেপে।
কলমেঃ আশরাফুল ইসলাম হবিগঞ্জী ফাগুন এলেই বিরহী হয়ে পড়ে হৃদয়, তোমার কথাই শুধু উঁকি মারে। অখন্ড জীবনে ছত্রছায়া ছিলে তুমি, তোমার স্মৃতিগুলো মনে পড়ে। ফাগুন এলেই আনমনা হয়ে পড়ে মন,
কলমেঃ সাহেলা সার্মিন তোমার একজোড়া মৌন মিছিল শেল হয়ে বিঁধে আমার বুকে, এক আকাশ শূন্যতায় মাঝে-মাঝে মরি ধুঁকে-ধুঁকে। ঝিঁঝিপোকার গান সাঙ্গ হলে নামে বিষন্ন নিরবতা, তোমার কণ্ঠে আমার নাম একবার
কলমেঃ মোঃ আপেল মাহমুদ একটি গোলাপ ছিল— তার ভেতর লুকানো ছিল একটি প্রাণের স্পন্দন। বসন্তের পা ফেলার আগেই ঝরে গেল সমস্ত পাপড়ি, রঙগুলো মিশে গেল নীরব মাটির সঙ্গে। তোমার আঙিনায়
কলমেঃ মোঃ জাবেদুল ইসলাম ফেব্রুয়ারী মাসের তের তারিখ, আসলো ঘনে দিন। বদরুল আলম সোহাগ ভাইয়ের শুভ জন্ম দিন। বদরুল আলম সোহাগ ভাই, দারুণ চেনা মুখ। নাম শুনলে হাসি ফুটে, হয়
কলমেঃ কাকলি রানী ঘোষ হাওয়ায় হাওয়ায় দুলছে দোলায়, আবির গুলে দিচ্ছে প্রাণে। কানে কানে মধুর বাণী, বাঁশি বাজায় রাখাল গেহে। গরুর গাড়ি মেঠো পথে, হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির মাঝে, ফাগুনের এই